ভারতের ত্রিপুরায় দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে আত্মসমর্পণকারী সাবেক বিদ্রোহীদের দুটি সংগঠন। স্বাধীনতা দিবসের মাত্র দুই দিন আগে এ কর্মসূচি ঘোষণায় রাজ্যজুড়ে পরিবহন ও জনজীবনে অচলাবস্থার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) আগরতলায় এক সংবাদ সম্মেলনে জয়েন্ট অ্যাকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি (জেএআরসি) এবং জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি (জেএসি) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।
সংগঠন দুটির নেতারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের সদস্যরা সশস্ত্র পথ ত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলেও এখন পর্যন্ত তাদের জন্য প্রতিশ্রুত আর্থিক প্যাকেজ বা পুনর্বাসন সুবিধা ঘোষণা করা হয়নি।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর আগে গত ২৪ জুন একই দাবিতে রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও সরকারের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করা হয়।
পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান আসেনি। সর্বশেষ বুধবার আদিবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি বলে দাবি করেছে সংগঠন দুটি।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আগামী ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পুনরায় রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি চম্পকনগরের চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় এবং রেলপথ অবরোধ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার ভৃগুদাসপাড়া এলাকায় পালন করা হবে।
স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ঘোষিত এ কর্মসূচির কারণে রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থা ও স্বাভাবিক জনজীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন নিবিড় নজরদারি চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ত্রিপুরা ইনফোফুঁসে উঠছে আত্মসমর্পণকারী বিদ্রোহীরা, ত্রিপুরায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ
ভারতের ত্রিপুরায় দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে আত্মসমর্পণকারী সাবেক বিদ্রোহীদের দুটি সংগঠন। স্বাধীনতা দিবসের মাত্র দুই দিন আগে এ কর্মসূচি ঘোষণায় রাজ্যজুড়ে পরিবহন ও জনজীবনে অচলাবস্থার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) আগরতলায় এক সংবাদ সম্মেলনে জয়েন্ট অ্যাকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি (জেএআরসি) এবং জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি (জেএসি) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।
সংগঠন দুটির নেতারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের সদস্যরা সশস্ত্র পথ ত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলেও এখন পর্যন্ত তাদের জন্য প্রতিশ্রুত আর্থিক প্যাকেজ বা পুনর্বাসন সুবিধা ঘোষণা করা হয়নি।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর আগে গত ২৪ জুন একই দাবিতে রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও সরকারের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করা হয়।
পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান আসেনি। সর্বশেষ বুধবার আদিবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি বলে দাবি করেছে সংগঠন দুটি।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আগামী ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পুনরায় রেলপথ ও জাতীয় মহাসড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি চম্পকনগরের চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় এবং রেলপথ অবরোধ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার ভৃগুদাসপাড়া এলাকায় পালন করা হবে।
স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ঘোষিত এ কর্মসূচির কারণে রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থা ও স্বাভাবিক জনজীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন নিবিড় নজরদারি চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ত্রিপুরা ইনফো


