এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ করেছে, দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, তাদের পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং সদস্যদের মনোবল দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এসব বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়। পরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সংগঠনটি বলেছে, বাংলাদেশ যখন জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট (সবার আগে বাংলাদেশ)’ নীতির ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক সেই সময় ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন, যুদ্ধবিমান ক্রয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ সামনে আসার পর থেকেই একটি গোষ্ঠী বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটি আরও বলেছে, বিমানবাহিনী প্রধানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, বাহিনীর সঙ্গে চরমপন্থার মতো স্পর্শকাতর বিষয় জড়ানোর চেষ্টা এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরির প্রচেষ্টা “দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত”।

এছাড়া, সাবেক প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলামকে নিয়েও কিছু অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।