রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি সত্যিই সুসম্পর্ক চায়, তবে তাদের বক্তব্য ও আচরণের মাধ্যমে তা প্রমাণ করতে হবে।
সম্প্রতি এক তরুণ রোহিঙ্গা মোহাম্মদ উল্লাহর মৃত্যু এবং তার আগে হুমকি ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। জেন-জি রোহিঙ্গারা একটি অনলাইন পিটিশন ও সমন্বিত প্রচারণা শুরু করেছে, যেখানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
লতা পাহাড়ের ঢালু সড়ক দিয়ে নামার সময় জিপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এতে গাড়িতে থাকা দু’জনই গুরুতর আহত হন। পরে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মো. সালামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
আটক দুজন ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্র
টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ছবি: সংগৃহীত
রবিউল হাসান হৃদয়। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গাদের একটি সংগঠিত শিবিরের ভেতরের প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
গুইমারার তৈমাতাই ও পিলাক খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া
নিহত মো. সালাম। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের একটি রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির। ছবি: সংগৃহীত
খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি : মন্ত্রণালয়
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শামা ওবায়েদ-খালেদ খিয়ারি বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
নেতারা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের স্থায়ী আবাস নয়; তাদের প্রকৃত ঠিকানা মিয়ানমার। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বাংলাদেশ সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
ভাসানচর থানার ওসি কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আশপাশে থাকা লোকজন দগ্ধ হন।
বক্তারা বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে একাধিক সংস্থা কাজ করলেও বাস্তব ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, রোহিঙ্গাদের উচ্চ ঝুঁকি, পুলিশের অতিরিক্ত চাপ, ঘন ঘন বদলি এবং থানায় মামলা নিতে জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
মানবাধিকার কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়। মানুষের বাঁচার অধিকার বা জীবনের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয় যখন রাষ্ট্র টিকে থাকে। রাষ্ট্রই যদি অখণ্ড না থাকে, তবে সেখানে মানবাধিকার রক্ষা করবে কে?
যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় স্থানীয় জনগণের জন্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সীমান্ত সড়কের মূল উপকারভোগী হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।