সাক্ষাৎকালে ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক ২০২৪ সালের জুলাই থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলে লবণাক্ততা হ্রাস, সুন্দরবনের জন্য মিঠাপানির সরবরাহ নিশ্চিত, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য রয়েছে।
এর আগে, গত ৫ মে বালুখালী ক্যাম্প-৭ এ এআরও ও নবী হোসেন বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং দুইজন আহত হন। পরদিন ৬ মে ক্যাম্প-৮ এলাকায় আরও এক রোহিঙ্গা নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস শুক্রবার বলেন, আসিয়ানের পাঁচ দফা ঐকমত্য ঘোষণার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসেনি, যা সদস্য দেশগুলোর জন্য হতাশাজনক।
রোহিঙ্গাদের একটি সংগঠিত শিবিরের ভেতরের প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের একটি রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির। ছবি: সংগৃহীত
খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি : মন্ত্রণালয়
রবিউল হাসান হৃদয়। ছবি: সংগৃহীত
রোববার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
পদ্মা নদী: ছবি: সংগৃহীত
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক। ছবি: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজ
ঢাকায় অবস্থানরত ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ছবি: পিএমও
মানবাধিকার কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়। মানুষের বাঁচার অধিকার বা জীবনের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয় যখন রাষ্ট্র টিকে থাকে। রাষ্ট্রই যদি অখণ্ড না থাকে, তবে সেখানে মানবাধিকার রক্ষা করবে কে?
যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় স্থানীয় জনগণের জন্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সীমান্ত সড়কের মূল উপকারভোগী হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।
গাজায় যা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে অমানবিক, ইউক্রেনে যা হচ্ছে তা বৈশ্বিক রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে, কিন্তু তার মানে কি এই যে- রোহিঙ্গাদের ওপর হওয়া সেই জঘন্যতম গণহত্যার বিচার বা তাদের বেঁচে থাকার অধিকার কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ?