ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার-পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
সরকার মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির যেসব শর্ত রাষ্ট্রের জন্য সমস্যাজনক বা ক্ষতিকর হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।।
আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে হামের উপসর্গের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। যোগাযোগব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় ম্রো পাড়াগুলোতে পৌঁছাতে সড়কপথ থেকে তিন থেকে সাত ঘণ্টা হাঁটতে হয়। এপ্রিলের শুরু থেকেই সেখানে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। ১১ এপ্রিল রিংলতপাড়ায় দুই নবজাতকের মৃত্যু হয়।
ভারত থেকে অবৈধ পণ্য নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
বরকল উপজেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি- সংগৃহীত
খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি : মন্ত্রণালয়
রোববার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন। ছবি- সংগৃহীত
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী প্রকৌশলী পরিবার আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এম. হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন
মানবাধিকার কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়। মানুষের বাঁচার অধিকার বা জীবনের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয় যখন রাষ্ট্র টিকে থাকে। রাষ্ট্রই যদি অখণ্ড না থাকে, তবে সেখানে মানবাধিকার রক্ষা করবে কে?
যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় স্থানীয় জনগণের জন্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সীমান্ত সড়কের মূল উপকারভোগী হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।
গাজায় যা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে অমানবিক, ইউক্রেনে যা হচ্ছে তা বৈশ্বিক রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে, কিন্তু তার মানে কি এই যে- রোহিঙ্গাদের ওপর হওয়া সেই জঘন্যতম গণহত্যার বিচার বা তাদের বেঁচে থাকার অধিকার কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ?