বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অন্তত ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) সবচেয়ে বেশি তৎপর।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তি মিয়ানমারের সিডোকতাইয়া এলাকার কাছে। প্রাথমিকভাবে এর উপকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ দশমিক ৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
১৮৬৯ সালে ব্রিটিশ প্রশাসক ক্যাপ্টেন জে. পি. লুইন তার “The Hill Tracts of Chittagong and the Dwellers Therein” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ব্রিটিশ আগমনের আগেও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলো এক যাযাবর জীবনযাপন করত এবং তারা কোনো স্থায়ী ভূ-খণ্ডের একক মালিক ছিল না।
আত্মসমর্পণের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি ইতালিয়ান পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড পিস্তলের গুলি জমা নেওয়া হয়।
বরকল উপজেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি- সংগৃহীত
রোববার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন। ছবি- সংগৃহীত
হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী প্রকৌশলী পরিবার আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন
নেতারা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের স্থায়ী আবাস নয়; তাদের প্রকৃত ঠিকানা মিয়ানমার। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বাংলাদেশ সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
মানবাধিকার কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়। মানুষের বাঁচার অধিকার বা জীবনের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয় যখন রাষ্ট্র টিকে থাকে। রাষ্ট্রই যদি অখণ্ড না থাকে, তবে সেখানে মানবাধিকার রক্ষা করবে কে?
যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় স্থানীয় জনগণের জন্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সীমান্ত সড়কের মূল উপকারভোগী হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে।
গাজায় যা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে অমানবিক, ইউক্রেনে যা হচ্ছে তা বৈশ্বিক রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে, কিন্তু তার মানে কি এই যে- রোহিঙ্গাদের ওপর হওয়া সেই জঘন্যতম গণহত্যার বিচার বা তাদের বেঁচে থাকার অধিকার কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ?