দীর্ঘ দাবদাহে পুড়তে থাকা চট্টগ্রাম নগরবাসী অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পেয়েছেন। বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকেই শুরু হয় বাতাস, বিদ্যুৎ চমকানো আর বজ্রপাত। বৃহস্পতিবার (২ মে) ভোরের আলো ফুটতেই বাড়ে বৃষ্টি। স্থান ভেদে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টি হতে দেখা গেছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই বৃষ্টির সঙ্গে চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সেই সঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২ মিলিমিটার, টেকনাফে ৩ মিলিমিটার ও কুতুবদিয়ায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।  
অন্যদিকে ফেনীতে বৃস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে হালকা বাতাস ছিল। এ ছাড়া বজ্রপাতও হয়েছে। তবে বৃষ্টির স্থায়িত্ব বেশি না হওয়ায় তাপমাত্রা তেমন কমেনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেনী আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান পর্যবেক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ জেলায় সর্বোচ্চ ৩১ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হালকা বাতাস বইছে। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ৭৬ শতাংশ হওয়ায় গরম অনুভব হচ্ছে বেশি। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে ২ মিলি. মিটার। আজও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
-পার্বত্য সময়