কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছেপটখালী ও মনখালী সমুদ্রসৈকত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পানিতে থাকার কারণে মরদেহগুলো বিকৃত হয়ে যাওয়ায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আটটা পর্যন্ত তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। েউদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ বছর।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে টেকনাফ উপকূলে রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যায়। ওই ঘটনায় এক নারী ও তার শিশুসন্তানের মৃত্যু হয় এবং কয়েকজন নিখোঁজ হন। উখিয়ার সৈকতে ভেসে আসা তিনটি মরদেহ ওই নৌকার নিখোঁজ যাত্রীদের হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি বলেন, মরদেহগুলোর শারীরিক গঠন দেখে তাদের রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য মরদেহগুলোর ছবি রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন অনলাইন চ্যানেলে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কারো পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ বলেন, সকালে কয়েকজন জেলে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় সৈকতের পানিতে তিনটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী পেরিয়ে টেকনাফে আসার সময় রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনায় রোহিঙ্গা নারী ছুরা খাতুন (২৮) ও তার শিশুসন্তানের মৃত্যু হয়। ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি ও আটজন রোহিঙ্গা ছিলেন।

পুলিশের ভাষ্য, নৌকাটির যাত্রীদের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল।