রাঙামাটির সাজেকের মাজলঙ নোয়াপাড়া এলাকায় গোলাগুলিতে সাত বছর বয়সী এক ত্রিপুরা শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ইউপিডিএফ নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), মানিকছড়ি উপজেলা শাখা।

ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির প্রচারিত কর্মসূচিতে শিশুর ওপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

শিশুটি জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গ্রুপের গুলিতে আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে এই ইউপিডিএফ-সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে- সন্তু গ্রুপের সদস্যরা গুলি চালানোর ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সাজেকের চাইল্যাতলী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় চাইল্যাতলী এলাকার বাসিন্দা সঞ্জিতা ত্রিপুরা নামে এক শিশু গুলিবিদ্ধ হন।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির সময় শিশুটির বাম হাতে গুলি লাগে। পরে তার হাত থেকে গুলি বের করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইউপিডিএফ (প্রসীত)-এর সশস্ত্র গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন বিপ্লব চাকমা। অপরদিকে জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন বিক্রম চাকমা। দুই পক্ষের গ্রুপে অর্ধশতাধিক সদস্য ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় দুই পক্ষের আর কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।