এক বাঙালি যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও জেলা সদরে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনের প্রাণহানী ও ৯ জন খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন। 
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, গতরাতে জেলা সদরের নারায়ণখাইয়া এলাকা গুলির শব্দে কেঁপে উঠে। এ সময় স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে জুনান ও রুবেল নামে দুইজনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে দীঘিনালা থেকে  আহতাবস্থায় আনা ধনঞ্জয়েরও মৃত্যু হয়েছে। 
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিপল বাপ্পী চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। 
গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ির পানখাইয়া এলাকায় মামুন নামে এক বাঙালি যুবককে হত্যার পর চোর বলে দাবি করে উপজাতিরা। এ ঘটনার বিচারের দাবীতে দীঘিনালায় বিক্ষোভ চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ৮০ টি দোকান ও বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা বলে দাবি করে উপজাতিরা। এর জেরে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

-পার্বত্য সময়