জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চার প্রকল্পে ১ হাজার ২২২ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে ৪০০ কোটি টাকা। 
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা কমিশনে সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পটি ছিল চতুর্থ নম্বরে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।
প্রকল্পটিতে ইউনিসেফ অনুদান হিসেবে ১০০ কোটি ১৬ লাখ টাকা দেবে। বাকি ২৯৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা সরকার দেবে। সভায় চারটি প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হয়।
এদিন একনেকে অনুমোদনের জন্য আরও যেসব প্রকল্প উত্থাপন করা হয় তার মধ্যে রয়েছে-পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের ‘বাখরাবাদ-মেঘনাঘাট-হরিপুর গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প (১ম সংশোধিত)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)। সংশোধিত প্রকল্পটির ব্যয় ৭০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১ হাজার ৫৭০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
কার্যতালিকায় থাকা দ্বিতীয় প্রকল্প হলো-‘২টি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (সুন্দলপুর-৪ ও শ্রীকাইল-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (সুন্দরপুর সাউথ-১ ও জামালপুর-১) খনন প্রকল্প’। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। নতুন প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
একনেক সভার কার্যতালিকায় থাকা তৃতীয় প্রকল্পটি ছিল- আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের ‘মহিলাদের ক্ষক্ষমতায়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়) (২য় সংশোধিত তথ্য আপা নামক প্রকল্প)’। প্রকল্পটির ব্যয় ১৬৩ কোটি ১০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৭৪৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

-পার্বত্য সময়