যৌথ বাহিনীর অভিযানের কারণে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন। কারণ রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি ও অস্ত্র-অর্থ লুটের ঘটনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলাকালীন পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
একইভাবে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করতে পর্যটক গাইড, পরিবহন মালিক এবং হোটেল -মোটেল মালিক সমিতিকে নির্দেশনা দিয়েছে রুমা উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি তাদের চারটি বিষয় মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এগুলো হলো– যৌথ বাহিনীর অভিযান চলার মধ্যে কোনো হোটেল-মোটেলে পর্যটককে কক্ষ ভাড়া দেওয়া যাবে না, কোনো ট্যুরিস্ট গাইড কোনো পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থী নিয়ে যাবেন না, কোনো জিপগাড়ি বা নৌপথেও পর্যটক বহন করা যাবে না।
থানচির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো. মামুন সমকালকে জানান, তাঁর উপজেলায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সভা করে পর্যটন কেন্দ্রে কেউ ভ্রমণে আসতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে। তবে এটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার আগের মতো ভ্রমণ করা যাবে।
২০২২ সালের অক্টোবর থেকে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র তৎপরতার কারণে এই তিন উপজেলায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে রুমা ও থানচি থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও রোয়াংছড়িতে এটি বহাল ছিল। বর্তমানে নতুন করে তিনটি উপজেলায়ই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
-পার্বত্য সময়
রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি ও অস্ত্র-অর্থ লুটের ঘটনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে
বান্দরবানের ৩ উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণ 'নিষেধ'
একইভাবে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করতে পর্যটক গাইড, পরিবহন মালিক এবং হোটেল -মোটেল মালিক সমিতিকে নির্দেশনা দিয়েছে রুমা উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি তাদের চারটি বিষয় মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সি
স্টাফ রিপোর্টার
১৩ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:১০ পূর্বাহ্ন১ মিনিট পড়া

ছবি : সংগৃহীত
