শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বাংলাদেশ গঠন করতে হলে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। বিগত ১৫ বছর আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান একসঙ্গে বসবাস করছি। ২০০১ সালের নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী ভয়াবহ মানবতা লঙ্ঘনের মতো বিভৎস নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন ও হত্যা আমরা চাই না। আমরা নির্বিঘ্নে আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চাই।

চট্টগ্রাম সম্মিলিত বৌদ্ধ নাগরিক সমাজ আয়োজিত 'শান্তি ও উন্নয়নের সপক্ষে বৌদ্ধ সমাজ' শীর্ষক আলোচনা সভা ও সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে নির্বাচন উপলক্ষে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনের এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য শান্তি ও উন্নয়নের সপক্ষে বৌদ্ধ সমাজ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সমাবেশে চট্টগ্রামের বৌদ্ধদের প্রায় ২০টি সংগঠন সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আমাদের আবারও ‘শেখ হাসিনাতেই আস্থা’।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যক্ষ ড. প্রণব কুমার বুড়য়া, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালক মিথুন বড়ুয়া ও চট্টগ্রাম আইন কলেজের সাবেক ভিপি রেবা রাণী বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী পরিতোষ কান্তি বড়ুয়া, আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনতোষ বড়ুয়া, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ডা. প্রীতি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুসেন বড়ুয়া, সুপ্তভূষণ বড়ুয়া, অর্থদর্শী বড়ুয়াসহ অন্যান্য বৌদ্ধ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

-পার্বত্য সময়