রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ধারাবাহিক নৌ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নৌ পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জেলার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আলম চৌধুরী ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।
গত ২৫ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এ উদ্যোগ নেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, নৌ দুর্ঘটনায় একটি সাধারণ সূত্র স্পষ্ট। সেটি হলো লাইফ জ্যাকেটের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। রিসোর্ট মালিক, নৌযান মালিক ও পরিচালকেরা পর্যটকদের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি চরম উদাসীনতা ও অবহেলা প্রদর্শন করছেন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, নৌ পুলিশ এবং টুরিস্ট পুলিশ কাপ্তাই হ্রদে নিয়মিত মনিটরিং ও পরিদর্শন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা অত্যন্ত প্রবল।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, নৌ দুর্ঘটনায় একটি সাধারণ সূত্র স্পষ্ট। সেটি হলো লাইফ জ্যাকেটের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। রিসোর্ট মালিক, নৌযান মালিক ও পরিচালকেরা পর্যটকদের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি চরম উদাসীনতা ও অবহেলা প্রদর্শন করছেন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, নৌ পুলিশ এবং টুরিস্ট পুলিশ কাপ্তাই হ্রদে নিয়মিত মনিটরিং ও পরিদর্শন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা অত্যন্ত প্রবল।
এ প্রেক্ষাপটে সাতটি নির্দিষ্ট বিষয়ে তদন্ত করতে নৌ পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ২৫ ডিসেম্বরের দুর্ঘটনায় নৌকার মালিক ও চালকের কোনো অবহেলা ছিল কি না, নৌযানটির বৈধ নিবন্ধন ও লাইসেন্স ছিল কি না, ১৯ জন যাত্রীর জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও নিরাপত্তাসামগ্রী ছিল কি না, যাত্রীসংখ্যা নৌকার নির্ধারিত ধারণক্ষমতার মধ্যে ছিল কি না, চালক প্রশিক্ষিত ও বৈধ লাইসেন্সধারী ছিলেন কি না, চালকের অদক্ষতা বা অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না এবং কাপ্তাই হ্রদে চলাচলকারী নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা।
আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙামাটি কোর্ট পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক তাজউদ্দিন বলেন, নৌ দুর্ঘটনা ও পর্যটকডুবির ঘটনায় তদন্তের জন্য আদালত আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

