পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের শান্তি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক। সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে এই উৎসব আরো প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক।”

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি জেলা শহরের গর্জনতলী ও তবলছড়ি কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান।

পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক সচ্ছলতার পাশাপাশি গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষ শিক্ষিত ও সচেতন হলে সমস্যার পরিমাণ অনেক কমে আসবে। আমাদের দরকার এমন শিক্ষা— যা মানুষকে ভালো-মন্দ বুঝতে শেখাবে, প্ররোচনার বাইরে রাখবে। পাহাড়িদের মধ্যে গুণগত শিক্ষা ছড়িয়ে পড়লে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

উপদেষ্টা পূজা মণ্ডপে এসে আয়োজকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দুর্গোৎসবকে সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ সময় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।