বাঘাইছড়ি উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ২৯ মে। সোমবার (১৩ মে) দুপুরে প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনে দুই রাজনৈতিক দলের বড় কোনো প্রার্থী না থাকলেও পাহাড়ে বিবাদমান আঞ্চলিক দুই সংগঠনের হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে উতপ্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়। জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের দুলোবনিয়া এলাকায় পাহাড়ের বিবাদমান আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠন জনসংহতি সমিতি জেএসএস (সন্তু) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফের (প্রসিতপস্থি) মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ চলছে।
সোমবার বিকেল চারটায় বঙ্গলতলী এলাকার সুকেতন মাঠে গোলাগুলি শুরু হয়ে সন্ধ্যায় বন্ধ হয়। পরে মঙ্গলবার (১৪ মে) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আবারও দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুই পক্ষের অন্তত এক হাজার রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে।
স্থানীয়দের ঘরের আসবাপত্রে গুলি লেগেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ হতাহতের সুনির্দিষ্ট খবর দিতে পারেনি। বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী অফিসার শিরীন আক্তার গোলাগুলির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন।
থানার অফিসার ইনচার্জ ইশতিয়াক আহম্মেদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি তবে এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় হতাহতের সুনির্দিষ্ট কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তৎপর রয়েছে, পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ১৮ মার্চ বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় আট জন নির্বাচনী কর্মকর্তা কর্মচারী নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন ৩৩ জন। ওই ঘটনার পাঁচ বছর পার হলেও ধরা পরেনি মূল হোতাদের কেউই।
-পার্বত্য সময়