বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাঙালি যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর চোর সাজানোর প্রতিবাদে উপজাতিদের সাথে স্থানীয় বাঙালিদের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৭২ ঘন্টার সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দেয় উপজাতি শিক্ষার্থীরা। এ অবরোধের আজ তৃতীয় দিন চলছে। এদিকে গণপরিবহনের ধর্মঘট প্রত্যাহার হওয়ায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে রাঙামাটির জনজীবন। তবে রাঙামাটি থেকে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ ও রাঙামাটি জেলার সাথে নৌযান চল বন্ধ রয়েছে। শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সকাল থেকে সড়কজুড়ে গণপরিবহন সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করছে। দোকানপাট ও অফিস আদালতেও মানুষজন আসতে শুরু করেছেন। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বনরূপা কাঁচাবাজার৷ সকাল থেকেই ক্রেতা বিক্রেতার স্বাভাবিক উপস্থিতি দেখা গেছে।
এদিকে ৭২ ঘন্টার অবরোধে নিরাপত্তার হুমকি থাকায় নৌযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। খুব জরুরি প্রয়োজনে অনেক যাত্রী ইঞ্জিন বোট ভাড়া করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। তবে রাঙামাটি থেকে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বাস সার্ভিস বন্ধ থাকায় স্টেশনে এসে অনেক যাত্রী ফেরত যাচ্ছেন।
এর আগে রাঙামাটি সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বাবু বলেন, বনরূপার সহিংসতার ঘটানায় আমদের শ্রমিক চালকরা হামলায় আক্রান্ত হয়েছেন। যানবাহন ভাংচুর করা হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে শনিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরণের পরিবহনের ধর্মঘট ঘোষণা দিয়েছিলাম। তবে রোববার রাতে জেলা প্রশাসনের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছি।
-পার্বত্য সময়

