রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় চাষীরা ক্ষতিকর তামাক চাষের পরিবর্তে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। অনেকে চাষাবাদ করছেন পরিত্যক্ত জমিতে। ধান চাষের চেয়ে সূর্যমুখী চাষ লাভজনক বলে জানায় তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছরে প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে সূর্যমুখীর চাষ। ২০২২ সালে রাঙামাটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ৮ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর রাঙামাটির ১০টি উপজেলায় ৪০০ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষাবাদ হয়েছে। গত বছরও ছিলো মাত্র ৬৮ একর।
কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল মাত্র ৭৫ একর। তবে কৃষকদের আগ্রহের কারণে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় চাষাবাদ কয়েক গুণ বেড়েছে। প্রতি একরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ মেট্রিক টন। জেলায় সূর্যমুখীর ফলন ভালো এবং লাভজনক হওয়ায় ভবিষ্যতে সূর্যমুখীর চাষাবাদ আরও বাড়বে।
কৃষকদের আয়ের পাশাপাশি প্রতিদিন অনেক মানুষ ভিড় করছে ফুল দেখতে। সারা দিনই সেখানে থাকে নানা বয়সী মানুষের ছবি তোলার ব্যস্ততা।
-পার্বত্য সময়

