বাঙালি যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর চোর সাজানোর প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে উপজাতিদের ঘর-বাড়িতে আগুন ও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কয়েকটি সংগঠন। এই হামলার প্রতিবাদে উপজাতি ছাত্র সমাজ তিন পার্বত্য জেলায় শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবরোধের ঘোষণা দেয়। কিন্তু পাহাড়ী ছাত্র সমাজের ডাকা এই অবরোধের প্রভাব পড়েনি পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। 
সকাল থেকেই  বান্দরবান চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ঢাকাসহ বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বান্দরবান থেকে ছেড়ে গেছে দুরপাল্লার সব বাস। এছাড়াও বান্দরবানের অভ্যন্তরীণ সড়ক যেমন রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি সড়কেও যথা সময়ে বাস ছেড়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। 
এদিকে গতকাল অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বান্দরবানে উপজাতি-বাঙালি নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা প্রশাসকের শান্তি আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক বান্দরবানের শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 
উল্লেখ্য, খাগড়াছড়িতে হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের রাজার মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহীদ আবু সাঈদ মুক্তমঞ্চ চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জন ত্রিপুরা, বিটন তঞ্চঙ্গ্যা, অংশৈখিং মারমা, টনয়া ম্রো প্রমুখ।

-পার্বত্য সময়