খাগড়াছড়িতে মামুন (৩০) নামের এক বাঙালি যুবককে কয়েকজন উপজাতি গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে দোষ আড়াল করতে তাকে চোর বলে অভিহিত করা হয়।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের মধুপুর নোয়াপাড়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত একজন মামুন শালবন মধ্য পাড়ার মৃত নূর নবীর ছেলে।
ঘটনার পর মৃত ব্যক্তির পরিবার ও স্থানীয় বাঙালি মৃতব্যক্তির লাশসহ বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে তার লাশ নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী উপজাতিরা বলছে, তাকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় কিছু লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
স্থানীয় বাঙালিদের একাংশ অভিযোগ করে, শত্রুতামূলক তাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন চোর দাবি করে নতুন নাটক করতে চাইছে তারা।
লাশ নিয়ে বিক্ষোভের সময় স্থানীয় বাঙালিরা পাহাড়িদের ও দোকানপাট লক্ষ্য করে ইট পাটকেল শুরু করে।একপর্যায়ে পাহাড়ি এবং বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তখন কিছু পাহাড়ি (জেএসএস সংস্কার এর স্থানীয় কর্মীরা) ৪/৫ রাউন্ড ফাকা গুলি করে বলে জানা যায় । এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পাহাড়ি এবং বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
-পার্বত্য সময়

