ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে  সারাদেশে  এ পর্যন্ত ১১  জন মারা গেছেন। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে জলোচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে, ঝড়ে ঘরবাড়ি, দেয়াল ও গাছপালা ভেঙে পড়েছে। অনেক এলাকার রাস্তাঘাট পানির নিচে। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছে অনেক মানুষ।
রবি ও সোমবার পটুয়াখালীতে ৩ জন, ভোলায় ৩ জন, বরিশালে ২ জন, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় একজন করে মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়ে ১৯ জেলায় ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ১ লাখ ৫০ হাজার ৪৭৫ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমাল গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এরপর থেকে সারা দেশে ঝড় শুরু হয়। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে পড়ে।
বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।

-পার্বত্য সময়