কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের নাফ নদের ৩টি পয়েন্ট দিয়ে অস্ত্রসহ পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির আরও ৪০ সদস্য। শনিবার (৪ মে) ভোরে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে হেফাজতে নিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।
শনিবার সকালে নাজিরপাড়া দিয়ে চারজন বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর আগে শুক্রবার (৩ মে) মধ্যরাতে টেকনাফের সাবরাং আচারবনিয়া দিয়ে ১৪ জন এবং নাজিরপাড়া সীমান্ত দিয়ে ২২ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে এসে আশ্রয় খুঁজে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে দুই দফায় আশ্রয় নেয়া বিজিপি সদস্যদের নিরস্ত্র করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। তারপর বাসযোগে তাদের প্রথম ১৪ জনকে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়। পরে আরো ২২ জনকেও একইস্থানে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইংয়ের মহাপরিচালক মিয়া মো: মাইনুল কবির বলেন, মিয়ানমারের সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। তার জের ধরে টেকনাফের নাফ নদী দিয়ে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের টেকনাফে ঢুকে পড়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি সদস্যরা। সংখ্যাটি ৫০ জনের নিচে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সেনা সদস্যসহ প্রথম দফায় ৩৩০ জন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ও দ্বিতীয় দফায় ২৮৮ জনকে ২৫ এপ্রিল ফেরত পাঠানো হয়।
এর আগে দুই দফায় পালিয়ে আসা মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাবাহিনীর ৬১৮ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। এর মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৮৮ জন বিজিপি-সেনা এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ৩৩০ জন বিজিপি, সেনা ও কাস্টমস কর্মকর্তাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় বাংলাদেশ।
-পার্বত্য সময়
মিয়ানমার সংঘাত
টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে মিয়ানমারের ৪০ সীমান্তরক্ষী
মিয়ানমারের সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। তার জের ধরে টেকনাফের নাফ নদী দিয়ে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের টেকনাফে ঢুকে পড়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি সদস্যরা।
সি
স্টাফ রিপোর্টার
৫ মে, ২০২৪ ১:০০ পূর্বাহ্ন১ মিনিট পড়া

ছবি সংগৃহীত
