রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবপাচার প্রতিরোধে কার্যকর সমন্বয় ও জোরালো উদ্যোগ জরুরি বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) কক্সবাজারে ‘মানবপাচার এবং সুরক্ষা বিষয়ক ঝুঁকি পরামর্শ ও শিক্ষণীয় পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ অভিমত উঠে আসে।
বক্তারা বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে একাধিক সংস্থা কাজ করলেও বাস্তব ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, রোহিঙ্গাদের উচ্চ ঝুঁকি, পুলিশের অতিরিক্ত চাপ, ঘন ঘন বদলি এবং থানায় মামলা নিতে জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, মানবপাচার বিরোধী ওয়ার্কিং গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, পাচারের শিকারদের ৩৩ শতাংশ নারী ও কন্যাশিশু এবং ২৫ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পাচারের ঘটনা প্রায় ২৮.৮ শতাংশ বেড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এনজিও ও ক্যাম্প প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ব্র্যাকের মানবিক সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

