গত বছর মার্চে অলিম্পিক প্রাক-বাছাই খেলতে মিয়ানমার সফরে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সে সফরে জেতে পারেনি সাবিনা-সানজিদারা। এবার ফিফা উইন্ডোতে মিয়ানমারে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। সে জন্য মিয়ানমার ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনাও সারেন বাফুফের কর্তারা।
দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি উত্তপ্ত হওয়ায় এ সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চায় বাফুফে। তবে নিরাপত্তা ইস্যুতে সফরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মিয়ানমারে বেশ কিছুদিন ধরেই সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে চলছে সংঘাত। সম্প্রতি যা আরও তীব্র হয়েছে। এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ‘মেয়েদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটা সুপারিশপত্র চেয়েছিলাম। আমরা একটা চিঠি পেয়েছি যে এখন না গিয়ে পরবর্তী সময়ের জন্য সূচি করার জন্য। এখনও যে যাচ্ছি না, এরকম না, কিন্তু আমরা কথা বলব, নিরাপত্তার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না।
নিরাপত্তাহীনতার কথা চিন্তা করে মেয়েরা যেন এই সফরে না যায়, সে জন্য নিরুৎসাহিত করে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বাফুফেকে চিঠি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১ এপ্রিল) সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। খেলতে না যাওয়ার বিষয়টি মিয়ানমার ফুটবল ফেডারেশনকে জানিয়ে দিয়েছে ফেডারেশন। ফলে টানা তিনটি ফিফা উইন্ডোতে খেলা হচ্ছে না সাবিনা খাতুনদের।
জানুয়ারিতে সৌদি আরব, ফেব্রুয়ারি ফিলিস্তিন এবং এখন মিয়ানমারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ বাতিল হওয়ায় ক্যাম্পে থাকা ফুটবলাররা ঈদের ছুটি পেয়েছেন ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
-পার্বত্য সময়

