চলতি বছরের মার্চে রপ্তানি আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৫১০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে, মার্চের রপ্তানি ১০ শতাংশ বাড়লেও মাসিক লক্ষ্যমাত্রা ৫১৪ কোটি ডলারের চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২ এপ্রিল ইপিবি এ তথ্য প্রকাশ করেছে
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত মার্চ মাসে রপ্তানি আয় এসেছে ৫১০ কোটি ডলারের বেশি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ৫১৯ কোটি, জানুয়ারিতে ৫৭২ কোটি ও ডিসেম্বরে ৫৩১ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় আসে। গত নভেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি হয় ৪৭৮ কোটি ডলারের মতো।
ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত মার্চ মাসে পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের মার্চে রপ্তানি হয় ৪৬৪ কোটি ডলারের। এর আগে পণ্য রপ্তানিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ ও জানুয়ারিতে ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়।
গত বছরের শেষ দিকটায় রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক। গত ডিসেম্বরে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রপ্তানি কমে যায় ১ শতাংশের বেশি। আগের মাস নভেম্বরেও ছিল একই প্রবণতা। নভেম্বরে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমে যায় ৬ শতাংশের বেশি। রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ধারা ফিরে এলেও গত মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১ শতাংশ কম হয়েছে রপ্তানি আয়। মাসটিতে ৫১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বেশি রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল।
এদিকে গত জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ১৭২ কোটি ডলার। তবে ৯ মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি আয় প্রায় ৯ শতাংশ কম হয়েছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের আট মাসে ৩ দশমিক ২৭ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় এসেছে ৩ হাজার ৭২০ কোটি ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৫২৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ ৯ মাসে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে সাড়ে ৫ শতাংশ। এ ছাড়া কৃষিপণ্যে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্যে ১৮ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে রপ্তানি আয় কমেছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ, পাট ও পাটপণ্যে সাড়ে ৫ শতাংশ ও হোম টেক্সটাইলে প্রায় ২৬ শতাংশ।
-পার্বত্য সময়

