বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাইন বিস্ফোরণে দুই দিনে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ মে) সন্ধ্যায় ফুলতলী ৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি মাইন বিস্ফোরণে ২ জন আহত হন।
রোববার (৫ মে) সকালে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে আরও ৩ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আজ বিকেলে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাঁদের সবার বাড়ি কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীকাটা গ্রামে।
জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল দুজন সীমান্ত পার হয়ে মিয়ানমার থেকে মহিষ নিয়ে আসার জন্য গিয়েছিলেন। মহিষ নিয়ে ফিরে আসার সময় সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি এলে তাঁরা বিস্ফোরণে আহত হন। ঘটনাস্থলে মহিষ রেখে তাঁরা সীমান্ত অতিক্রম করে চলে আসেন। তাঁদের ফেলে আসা মহিষ নিয়ে আসার জন্য আজ সকালে তিনজন গেলে আবার বিস্ফোরণ ঘটে। এলাকার লোকজন সংবাদ পেয়ে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন এবং চিকিৎসার জন্য কক্সবাজারে পাঠিয়ে দেন।
এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নান বলেন, মাইন বিস্ফোরণে আহত হওয়ার বিষয়টি তাঁরা শুনেছেন। কিন্তু বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) থেকে কোনো কিছু জানানো হয়নি।
সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার এমন ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিকরা আহত ও নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
-পার্বত্য সময়