বান্দরবানে আবারও রোয়াংছড়ি-রুম সড়কটি দখলে নিয়েছে কুকিচিন ন্যাশন ফ্রন্ট (কেএনএফ)। এছাড়া রুমা, বগালেক ও কেউক্রাডং এসব এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে। চলেছে সশস্ত্র সংগঠনটি। শান্তি আলোচন ও সমঝোতার পরেও কেএনএফের চাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার লোকজন।

সম্প্রতি রোয়াংছড়ি-রুমা সড়কে মাটি কেটে তৈরি করা বাঙ্কারের মত বেশ কয়েকটি স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে সেনাবাহিনী। নির্বাচনের সময়ে সড়কটি দখলে নিতে এ ধরনের স্থাপনা তৈরি করেছিল কেএনএফ। এই সড়কে বেশ কয়েকজন পর্যটককে মারধর করেছে তারা। গত ১৪ জানুয়ারি রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহামং মারমাকে অপহরণ করে তার। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোয়াংছড়ি ও রুমার দুর্গম গ্রামগুলোতে নিয়মিতভাবে চাঁদাবাজি চালাচ্ছে সংগঠনটি। এ ছাড়া ঠিকাদার,

ব্যবসায়ী, পর্যটক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারী এমনকি বম সম্প্রদায়ের কাছ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করছে সংগঠনটি। সংগঠনটির সশস্ত্র তৎপরতায় এই দুটি উপজেলার অন্যান্য সম্প্রদায়ও এখন আতঙ্কে আছে। এদিকে, গত নভেম্বরে বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কমিটির সাথে কেএনএফের সরাসরি শান্তি ক্যশৈহ্লকে প্রধান করে করা শান্তি প্রতিষ্ঠা আলোচনা ও কয়েকটি বিশেষ সমঝোতা হয়। সেখনে সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধ রাখার বিষয়ে উভয়পক্ষে সমঝোতা স্বাক্ষর হলেও বর্তমানে কেএনএফ তা উপেক্ষা করে তাৎপরতা চালাচ্ছে। এ নিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির সদস্যরা উদ্বেগ কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুল হক জানান, হঠাৎ করে প্রকাশ করেছেন। রুমা উপজেলার নির্বাহী

কেএনএফের তৎপরতায় এলাকায় পর্যটক কমে গেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় পর্যটকরা ভ্রমণ করছে। মোটরসাইকেলে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এলাকর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান। বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানিয়েছেন, সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকাগুলোর দিকে প্রশাসন নজর রাখছে।


-পার্বত্য সময়