বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ)গোলাগুলিতে নিহত সেনাসদস্য মো: রফিকুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২০ এপ্রিল) রাতে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পশ্চিম শোশালিয়া গ্রামে সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার টার দিকে চট্টগ্রাম সিএমএইচ থেকে এই সেনাসদস্যের মরদেহ গ্রামের বাড়ি পৌঁছলে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃস্টি হয়। এ সময় তাঁর আত্মীয় স্বজন ও সহপাঠীরা কান্না ভেঙ্গে পড়েন।
পরে বাড়ির পাশে মসজিদের মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জাতীয় ও সামরিক বাহিনীর পতাকায় আচ্ছাদিত সেনাসদস্য রফিকুল ইসলামের কফিনে গান স্যালুট দেন সেনাবাহিনীর একটি চৌকশ দল।
জানাজার নামাজ শেষে সহকর্মীরা কাঁধে করে রফিকুলের কফিন কবরে নিয়ে যান। দাফন শেষে কবরে সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম ২০০৫ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগদান করেন। মৃত্যুর আগে তার পদবী ছিল করপোরাল। তিনি বান্দরবনের রুমা উপজেলায় কাজ করতেন।
রফিকুল ইসলাম ৩ ছেলে সন্তানের জনক। সর্বশেষ ঈদের আগে বাড়িতে এসে মা বাবাকে দেখে যান তিনি। পরিবারের ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে চতুর্থ রফিকুল ইসলাম ২০০৩ সালে শাহাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। তার এমন অকাল মৃতূতে পুরো পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্ত্রী, ভাই, বোন ও স্বজনরা কেউই রফিকুলের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না।
মৃত্যুর আগে বাড়িতে ঘরের কাজ শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেনি। স্বামীর অবর্তমানে তিন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্ত্রী আমেনা বেগম।
-পার্বত্য সময়

