আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র তৎপরতা নিয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সেখানে যৌথ অভিযান চলছে, অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে মৎস্যজীবী লীগের ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে একটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিছুটা সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীটি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে নেই। শুধু আছে বান্দরবানে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কিছু তরুণ অস্ত্রশস্ত্রসহ মহড়া দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে। এবং এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এই সশস্ত্র তৎপরতায় গোটা পার্বত্য অশান্ত হবে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।
এই অস্থিতিশীলতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনো শক্তি জড়িত আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, এই সম্প্রদায় শুধু বান্দরবানে। খাগড়াছড়ি বা রাঙামাটিতে নেই। এরা একটা নির্দিষ্ট এলাকায়। তাদের মধ্যে থেকে কিছু তরুণ ইদানীং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আশা করি, অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে।’ 
সরকার দেশজুড়ে হরিলুট চালাচ্ছে—বিএনপির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রাখেন, কীভাবে হরিলুট চলছে? কোথায় হরিলুট চলছে? অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না, সত্য বলুন। ৮০ ভাগ নেতা-কর্মী জেলে দাবি করে মির্জা ফখরুল মায়াকান্না করেন। তালিকাটা প্রকাশ করুন।
আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান, মৎস্যজীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর প্রমুখ।
 

-পার্বত্য সময়