বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে নারী-শিশুসহ ১৪ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি। সোমবার (৪ মার্চ) সকালে টেকনাফের হ্নীলার লেদা এলাকায় নাফ নদ থেকে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
তারা হলেন- নুরুল হক (৪০), জায়েদা (৩০), নূর কায়েস (৩০), ফতিজা (২৫)। বাকিরা শিশু। তারা সবাই মংডু এলাকার মাংঙ্গালা ও ফয়েজি পাড়ার বাসিন্দা।
মিয়ানমার চলমান যুদ্ধে নাফ নদ দিয়ে অনুপ্রবেশকালে প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছিল সীমান্তে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অন্যদিকে, রাখাইনে সেনা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াইয়ের প্রভাব পড়ছে সীমান্তের এপারের জনগোষ্ঠীর মধ্যেও। অনেক সময় যুদ্ধের গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ছে এপারে। এরকম ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন কয়েকজন।
এ ছাড়া গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নাফ নদ পেরিয়ে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে এসেছেন গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা নারীসহ পাঁচ জন। পরে রোহিঙ্গাদের ওই নৌকাটিও প্রতিহত করে বিজিবি।
টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে কিছু রোহিঙ্গা নৌকায় করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। তাদের মিয়ানমারের দিকে ফেরত পাঠানো হয়। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক রয়েছে, কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হবে না।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে শান্ত রয়েছে সীমান্ত এলাকা। অন্য দিনের মতো গোলার শব্দ পাওয়া যায়নি। টেকনাফের হোয়াইক্যং থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার নাফ নদে টহল জোরদার করেছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আগের তুলনায় সীমান্ত শান্ত। এর পরও বাসিন্দাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
-পার্বত্য সময়

