এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে। এ বছর কক্সবাজার জেলার ৫৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিবে ৩০ হাজার ৩১৮ জন।

জেলা প্রশাসনের শিক্ষা শাখা হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মোট কক্সবাজার জেলায় ৫৩ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কেন্দ্রের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র ৩১ টি, দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র ১৪ টি, কারিগরি পরীক্ষা কেন্দ্র ৮টি।

জেলায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসএসসিতে ২১ হাজার ৮৯৭ জন, দাখিলে ৬ হাজার ৯৪৪ জন, কারিগরিতে ১ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০ টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) বিভীষণ কান্তি দাস জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় আশেপাশে জারি থাকবে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন জানান, সারা দেশের মত কক্সবাজার জেলায়ও এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সুষ্ঠু ভাবে অংশ নিতে পারবে। নিরপেক্ষ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন বলে জানান।

সড়কে পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করে কেন্দ্রে যেতে পারে সে বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকল কেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য এবংআইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরাবরের মতো এবারও এ বোর্ড থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।

এদিকে পরীক্ষার্থীদের জন্য ৭টি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নিন্দেশনা সমুহ হলো প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময অনুযাযী পরীক্ষা গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। যে কারণে পরীক্ষার্থীর বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীযজন নির্ধারিত সময়ে কোনভাবেই পরীক্ষা হলের প্রাঙ্গনে অবস্থান করতে পারবে না। কোন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ছাডা অন্য কোন নোট, কাগজ, বইপত্র, মোবাইল ফোন ও কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবে না।