চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে ৭৬ হাজার ৮৭০টি ভোট বাতিল হয়েছে। নির্বাচনে ফলাফল গণনা শেষে প্রিসাইডিং অফিসারগণ এসব ভোট বাতিল করেন। সবচেয়ে বেশি ভোট বাতিল হয় জেলার বাঁশখালী আসনে। যার সংখ্যা ৩৬ হাজার ৯৬৮ ভোট। সবচেয়ে কম ভোট বাতিল হয় হাটহাজারী আসনে। এ আসনে ৫৩৯টি ভোট বাতিল হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘ভোট সঠিকভাবে প্রয়োগ না জানার কারণে এত ভোট বাতিল হয়েছে।’
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬২টি ভোট পড়েছে। যা মোট ভোটারের ৩৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১১৭টি। বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৯৪৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬৫ ভোট। যা মোট ভোটারের ৩২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৪৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ৮৭ হাজার ৫৯১ জন ভোট দিয়েছেন। যা মোট ভোটারের ৩৬ দশমিক ২১ শতাংশ। এর মধ্যে ৮৪ হাজার ৮৬ ভোট বৈধ হলেও ৩ হাজার ৫০৫ ভোট বাতিল হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪৮টি। যা মোট ভোটারের ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১টি। বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে মোট ভোট পড়েছে ৯৮ হাজার ১০৭টি। যা মোট ভোটারের ২০ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ আসনে বৈধ ভোট ৯৭ হাজার ৫৬৮ এবং বাতিল হয়েছে ৫৩৯টি।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ২ লাখ ৩২ হাজার ১০৮ জন ভোট দিয়েছেন। যা মোট ভোটারের ৭৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭১ এবং বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৬৩৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া-বোয়ালখালী আংশিক) আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮০টি। যা মোট ভোটারের ৬৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৬টি। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৯৪৪ ভোট।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯৪২টি। যা মোট ভোটারের ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬২০ এবং বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৩২২টি।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৪টি। যা মোট ভোটারের ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫৮টি। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৩১৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ১৩৪টি। যা মোট ভোটারের ২১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ২ হাজার ৭৪৯ এবং বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৩৮৫টি।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৬২৯টি। যা মোট ভোটারের ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৮৫১টি। বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৭৭৮টি।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৮টি। যা মোট ভোটারের ৫১ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৬০টি। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৮২৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে ২ লাখ ৩ হাজার ৯২১ জন ভোট দিয়েছেন। যা মোট ভোটারের ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ২ লাখ ১০৫টি। বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৮১৬টি।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৭০ জন ভোট দিয়েছেন। যা মোট ভোটারের ৪০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৪২৬টি। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৮৪৪টি।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে মোট ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৬৩ জন। যা মোট ভোটারের ২৮ দশমিক ২২ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ২৬ হাজার ১৫২ এবং বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ২১১টি।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২২৩টি। যা মোট ভোটারের ৩৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোট ৯২ হাজার ২৫৫টি। বাতিল হয়েছে ৩৬ হাজার ৯৬৮ ভোট।
-পার্বত্য সময়

