মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে হামিদ হোসেন সুন্দরী নামে এক রোহিঙ্গা আহত হয়েছেন। পরে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিজিবি ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিপরীতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আহত হামিদ হোসেন সুন্দরী উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লক-২৭-এর বাসিন্দা। তিনি মৃত কালাম হোসেনের ছেলে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম টাইমস অব বাংলাদেশ কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৯ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার উত্তরে এবং সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২৫০ গজ পশ্চিমে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে জানা যায়, ওই বিস্ফোরণে কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নাগরিক হামিদ হোসেন সুন্দরী আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, “আহত অবস্থায় হামিদ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিজিবি ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে চিকিৎসার জন্য উখিয়া কুতুপালংস্থ এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।”
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ০১ অক্টোবর পর্যন্ত উখিয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ৪০টির অধিক স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বিজিবি সদস্যসহ অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৪২ জনের বেশি মানুষ আহত বা পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন।


