সমালোচনার জবাব মাঠেই দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো । বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল করে পর্তুগালকে ৫-০ গোলের বড় জয় উপহার দিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। মঙ্গলবার (২৩ জুন) হিউস্টোনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে উজবেকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে নকআউট পর্বের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল পর্তুগাল।

ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ অভিষেকের পর প্রতিটি আসরেই গোল করার নজির স্থাপন করলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

১৭ মিনিটে নুনো মেন্ডেস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বাধিক গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নেন তিনি। ১০ গোল নিয়ে ছাড়িয়ে যান কিংবদন্তি ইউসেবিওকে।

প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্রয়ে গোল করতে না পারায় রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। তাকে একাদশ থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও ওঠে। তবে কোচ রবার্তো মার্টিনেজ তার অধিনায়কের ওপর আস্থা রেখেছিলেন, আর সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন রোনাল্ডো।

উজবেকিস্তান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও পর্তুগালের আক্রমণভাগের সামনে তারা অসহায় হয়ে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে একটি আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ব্যবধান ৪-০ হয়। ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় রাফায়েল লিয়াও পঞ্চম গোলটি করে পর্তুগালের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

ম্যাচে উজবেকিস্তানের একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হয়। আজিজজন গ্যানিয়েভ বল জালে পাঠালেও আক্রমণের শুরুতে ফাউলের কারণে গোলটি গণ্য করা হয়নি।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হারা উজবেকিস্তান দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো। অন্যদিকে পর্তুগাল এই জয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে পরের রাউন্ডে ওঠার পথে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

পর্তুগাল তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে আগামী শনিবার কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে।