ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে গারো সম্প্রদায়ের নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার আগেই ২ আসামি অটোরিকশাচালক আবুল বাশার (২২) ও তার সহযোগী মিলন মিয়াকে (২১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের পাবিয়াজুড়ি এলাকা থেকে আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে একই ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার হন মিলন মিয়া। ওই রাতেই ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী কিশোরী (১৫) মিলন মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় এক পার্কে বেড়াতে যায়। পরে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার জন্য মিলন তাকে বাশারের অটোরিকশায় তুলে দেন। পূজামণ্ডপ দেখানোর কথা বলে বাশার কিশোরীকে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাতে থাকেন। একপর্যায়ে নির্জন স্থানে নিয়ে তিনি কিশোরীটিকে ধর্ষণ করেন। রাত ১১টার দিকে গামারীতলা এলাকায় মেয়েটিকে নামিয়ে দিয়ে বাশার পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা কিশোরীটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
সংবাদমাধ্যম সময় টিভির খবরে বলা হয়- "হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারের পর মিলন জানিয়েছেন, মেয়েটি তার বন্ধু। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আবুলকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।"


