নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের একের পর এক আনোয়ারার পারকির চরে আটক হওয়ার ঘটনা বেড়েই চলছে। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, সক্রিয় দালাল চক্র এসব পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করাতে দিন দিন আরও তৎপর হয়ে উঠছে, যা পর্যটন ও ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য বড় হুমকি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাতের আঁধারে ছোট ট্রলার বা নৌকায় হাতিয়া চ্যানেল অতিক্রম করিয়ে পারকির চর হয়ে রোহিঙ্গাদের ভেতরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমানে পারকির চর টানেল সার্ভিস এরিয়া ও আশপাশের অঞ্চলকে পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ২৫ জন, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ২০ জন, ১৬ সেপ্টেম্বর ৩১ জন এবং সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বর আরও ৮ জন রোহিঙ্গাকে এই এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশুও রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম নিউজ বাংলার খবরে বলা হয়- এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আটক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাচারচক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

-পার্বত্য সময়