বাংলাদেশ নারী ফুটবলের উদীয়মান তারকা ও রাঙামাটির গর্ব ঋতুপর্ণা চাকমা এ বছরের বেগম রোকেয়া পদক অর্জন করেছেন। ‘নারী জাগরণ (ক্রীড়া)’ বিভাগে তাকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। নারী ক্ষমতায়ন, ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য এবং পাহাড়ি নারীদের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এ সম্মান গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত রোকেয়া দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার বিশিষ্ট নারীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক তুলে দেন। নির্বাচিতদের মধ্যে সবচেয়ে কমবয়সী নারী ছিলেন ঋতুপর্ণা এবং ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ফুটবলার এ পদকে ভূষিত হলেন।
গত বছর সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়। আর চলতি বছর দল প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এই দুই ঐতিহাসিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ঋতুপর্ণা। মাঠে তার গতি, ডিফেন্স ভাঙার দক্ষতা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাকে জাতীয় দলের অন্যতম ভরসা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার এই ফুটবল প্রতিভা আজ পাহাড়ি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক। তার অর্জনে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে পার্বত্য অঞ্চলের ক্রীড়ামহল। অনেকে বলছেন, ঋতুপর্ণার এই স্বীকৃতি শুধু ফুটবল নয়, পুরো পাহাড়ি সমাজের মেয়েদের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
ঋতুপর্ণা চাকমার রোকেয়া পদকপ্রাপ্তি- দেশের নারী ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।


