ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের - ইউপিডিএফ (প্রসীত)- এর সশস্ত্র গ্রুপের কমান্ডার মাইকেল চাকমার বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় সুমন চাকমা নামের আরেক আসামিকেও সমান মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম চট্টলার খবরে বলা হয়- বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার প্রসাদেব চাকমা। তিনি জানান, বুধবার (৮ অক্টোবর) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাওহিদুল হক আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন, যা বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্যানাল কোড ১৮৬০-এর ৩৮৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামিদের এই সাজা দেওয়া হয়। মামলাটি রাঙামাটির লংগদু থানায় ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর দায়ের করা হয়েছিল (মামলা নং–৫, জি.আর. নং–৩৩০/২০০৭)।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ওই বছরের ৩০ অক্টোবর রাতে ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা ও সুমন চাকমাকে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সময় নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্র ও নগদ টাকাসহ আটক করে লংগদু থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত একই মামলায় মাইকেল চাকমাকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির মামলায় আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। তবে আদালত উভয় সাজা একত্রে চলবে বলে নির্দেশ দেন।
ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, আদালত তার শাস্তির আদেশ শোনালেও তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ নেটিজেনদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বলে খবর।
পার্বত্য সময়


