টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের অধিকাংশ এলাকা ডুবে গেছে। সেখানে একদিনে ৪০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় রোহিঙ্গাসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার প্রধান সড়কসহ অন্তত ৩৫টি উপসড়ক বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। হাজারো ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে সৈকতের কাছে পাঁচ শতাধিক হোটেল মোটেলের সহস্রাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও চিংড়ির ঘের।
টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দেড় হাজারের বেশি ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে অন্তত ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
এদিকে কক্সবাজারের সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৩ জন ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ডিককুল এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী আখি মনি এবং তার দুই শিশু কন্যা মিহা জান্নাত নাঈমা ও লতিফা ইসলাম এবং ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই-২ ব্লকের কবির আহমেদের ছেলে আব্দুর রহিম, আব্দুল হাফেজ এবং আবদুল ওয়াহেদ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৭ ঘণ্টায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪০১ মিলিমিটার। চলতি মৌসুমে এটি একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। ভারী বর্ষণ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
-পার্বত্য সময়

