ইউপিডিএফ (প্রসীত) সমর্থিত গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ধর্মশিং চাকমা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তার পরিবার ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থুইনুমং মারমা। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ এপ্রিল ভোরে কুতুকছড়ি উপরপাড়া এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)-এর সশস্ত্র সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে ধর্মশিং চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তার দুই বোন কৃপাসোনা চাকমা ও ভাগ্যশোভা চাকমা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হল- নিহত ধর্মশিং চাকমার খুনি ও তার দুই বোনকে গুরুতর আহতের ঘটনার মূলহোতাসহ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান; হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ; জনসাধারণের চলাচলে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং ধর্মশিং চাকমার স্ত্রীর ভরণপোষণ ও আহত দুই বোনের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে।
এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, এ হত্যাকাণ্ডে অটল ও ঝিমিত চাকমাসহ ১৮-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল জড়িত থাকতে পারে। তারা আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে চিহ্নিত আসামিদের নাম উল্লেখ করে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


