খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় মদ্যপানে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ওই যুবকের নাম মো. রাশেদুল ইসলাম (২৫)। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ হস্তক্ষেপে এলাকায় উদ্ভূত উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চৌংড়াছড়ি মগপাড়া ও শান্তিনগরের মধ্যবর্তী পরিত্যক্ত এপিবিএন ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মগপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. শাহজামালের ছেলে রাশেদুল ইসলাম পাহাড়ের একটি স্থানে কয়েকজন মারমা যুবককে মদ্যপান করতে দেখে তাদের তা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ক্যাজাই মার্মা (১৯)-সহ পাঁচজন মারমা যুবক সংঘবদ্ধভাবে রাশেদুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনীর সদস্য এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকায় পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পাহাড়ি এলাকায় মাদক ও মদ্যপানকে কেন্দ্র করে মাঝেমধ্যে এ ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তারা নিয়মিত টহল জোরদার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


