খাগড়াছড়িতে পাঁচ বস্তায় ২৪ গুইসাপ নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে যাওয়ার পথে এক মারমা নারীকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ। বুধবার (১২ আগস্ট) রাত আটটার দিকে জেলা শহরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক নারীর নাম প্রেমরাছো মারমা (৪৭)। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার কুরাদিয়াছড়া গ্রামের অংগিও মারমার স্ত্রী।
জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যর ভিত্তিতে চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রেমরাছো মারমার কাছ থেকে পাঁচ বস্তা গুইসাপ উদ্ধার করা হয়।
বস্তাগুলো খুলে মোট ২৪টি গুইসাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০টি জীবিত ও ১৪টি মৃত ছিল। পরে জীবিত ১০টি গুইসাপ রাতেই আলুটিলার প্রাকৃতিক বনে অবমুক্ত করা হয়। আর মৃত ১৪টি গুইসাপ মাটিচাপা দেওয়া হয়।
আটক প্রেমরাছো মারমা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে বলেন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট থেকে ২২ হাজার টাকা দিয়ে তিনি গুইসাপগুলো কিনেছিলেন। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে এনে সেগুলো বিক্রি করা তার উদ্দেশ্য ছিল।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা জানান, বন্য প্রাণী ধরলে বা শিকার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগ নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালাবে।
জেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুর্জয় গোস্বামী বলেন, আটক নারীকে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ওই নারী বুধবার থেকে খাগড়াছড়ি সদর থানার হেফাজতে আছেন বলে জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কায় কিসলু। এখনো কোনো মামলা হয়নি। মামলা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


