'সীমান্ত বাণিজ্যে কমিশন চায় আরাকান আর্মি!' এমনই শিরোনামে সংবাদমাধ্যম সমকালের খবরে বলা হয়েছে, সীমান্তে মিয়ানমারের প্রায় ২৭০ কিলোমিটার এলাকা কিছুদিন আগে নিয়ন্ত্রণে নেয় সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি। নিয়ন্ত্রণ নিয়েই নাফ নদে মিয়ানমার অংশে নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তারা। যার প্রভাব টেকনাফকেন্দ্রিক সীমান্ত বাণিজ্যে পড়েছে।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাটির প্রধান শিরোনামে এ দাবি করা হয়েছে।
নয়া বছরের প্রথম মাসে এখন পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে কোনো পণ্যবাহী জাহাজ টেকনাফ বন্দরে নোঙর করেনি। উল্টো বাংলাদেশমুখী পণ্যবাহী চারটি কার্গো আটকে রেখেছে আরাকান আর্মির সদস্যরা।
কবে নাগাদ জাহাজগুলো ছাড়া পাবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। এসব জাহাজের মালিক মিয়ানমারের হলেও সব পণ্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদে দেশটির জলসীমানা দিয়ে চলাচলকারী নৌযান থেকে কমিশন পেতে চায় আরাকান আর্মি! এ কারণে তারা পণ্যভর্তি কার্গো আটকে রাখার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটিয়েছে।
ব্যবসায়ী মো. রানা বলেছেন, চার কার্গোতে একশর বেশি ব্যবসায়ীর ৫০ কোটি টাকার বেশি পণ্য রয়েছে। ট্রান্সশিপমেন্টের ওপর কমিশন চায় আরাকান আর্মি।
জাহাজের মালিকরা আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।