চেক প্রতারণার মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৪ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এ নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আইএফআইসি ব্যাংকের দায়ের করা চেক প্রতারণার মামলায় সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে পুলিশ আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে জানায়, তারা সাকিবকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৭ সালে সাকিব আল হাসানের মালিকানাধীন ‘সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড’ আইএফআইসি ব্যাংকের বনানী শাখা থেকে দেড় কোটি টাকা ঋণ নেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার দুটি চেক গ্রহণ করে। কিন্তু চেক দুটি পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়।
পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করায় গত ১৫ ডিসেম্বর সাকিব আল হাসানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করলেও নির্ধারিত তারিখে সাকিব হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
আজ আদালতে পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এরপর আদালত সাকিব আল হাসানের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেন।
এদিকে, মামলার আরেক আসামি গাজী শাহাগীর হোসাইনও আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, অপর আসামি মালাইকার বেগমের মৃত্যু হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আদালত তার মৃত্যুসংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে সাকিব আল হাসানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

-পার্বত্য সময়