কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদে ইয়াবা পাচারের সময় বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। বিজিবির দাবি, নিহত মো. আয়াস (২৫) মাদককারবারি। তিনি উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক ডি ৪-এর বাসিন্দা মো. জামাল হোসনের ছেলে।
রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ১২টার দিকে নাফ নদের দমদমিয়া সীমান্তে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান জাদিমোড়া সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে এমন গোপন খবর পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা শিকল ঘেরা এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর নাফ নদের লালদ্বীপ হয়ে একটি নৌকা করে চারজন লোক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। এমন সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। একপর্যায়ে নৌকা থেকে বিজিবি সদস্যদের ওপর গুলি করতে থাকে। বিজিবি সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। ৫-৬ মিনিট গোলাগুলির পর নৌকায় থাকা তিন মাদককারবারি মিয়ানমার সীমান্তে পালিয়ে যাওয়ার জন্য নদে ঝাঁপ দেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ এক মাদককারবারিকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদককারবারিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বিজিবির তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে দুই লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা, নৌকা, একটি দেশীয় বন্দুক, এক রাউন্ড তাজা এবং এক রাউন্ড খালি খোসা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছয় কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান বিজিবির ওই অধিনায়ক।
- -পার্বত্য সময়


