বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আবদুল খালেক (৩০)। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ঘুমধুমের রেজু আমতলী এলাকার ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলারের পশ্চিমে একটি গাছবাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন আবদুল খালেক। এ সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। পরে বাগানে থাকা অন্য শ্রমিকেরা রক্তাক্ত অবস্থায় আবদুল খালেককে পড়ে থাকতে দেখেন। তার দুই পা ক্ষতবিক্ষত এবং বাঁ পায়ের পাতা উড়ে গেছে।

এরপর উদ্ধার করে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, নিহত আবদুল খালেক উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ব্লক-সি এর বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ আনু মিয়ার ছেলে। তিনি ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফাত্রাঝিরিপাড়ার বাসিন্দা শাহ আলমের বাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রায় ৭০০ গজ অভ্যন্তরে।

এর আগে, গত ২৪ মে পার্শ্ববর্তী ভালুকিয়াপাড়া এলাকায় বাগানে কাজ করতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হন। ২ জুন বাইশফাঁড়িপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত মর্টারশেল বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে এক কিশোর। এসব ঘটনাও ঘটেছে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক আবদুল খালেকের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, সেখানে এলাকার লোকজনকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে।