রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পানছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের দখলে নিয়ে স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, তবে স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে।

প্রচারিত পোস্টে ইউপিডিএফ (প্রসীত) সমর্থক সুহাস চাকমার ফেসবুক আইডি থেকে দাবি করা হয়, সোমবার (৮ জুন) সেনাবাহিনীর প্রায় ৪০ সদস্য বিদ্যালয়টি দখল করে রাখে এবং এর ফলে শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

ওই প্রচারণায় আরও বলা হয়, রাঙামাটি জেলা কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হকের নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং ঘটনাটি শিশু অধিকার লঙ্ঘনের অন্তর্ভুক্ত—এমন অভিযোগ তুলে ইউনিসেফ বাংলাদেশ, জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর হস্তক্ষেপও দাবি করা হয়।

তবে স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর সদস্যরা ওই দিন স্কুল ছুটির পর সাময়িকভাবে বিদ্যালয়ের মাঠে বিশ্রাম নেন এবং কিছু সময় বিরতি শেষে সেখান থেকে চলে যান। কোনো ধরনের দখল বা স্কুল বন্ধের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সূত্রগুলো।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে এবং স্কুল বন্ধ হওয়ার দাবি সম্পূর্ণ অসত্য।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।