পার্বত্য সময়ের হাতে আসা নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের পরিকল্পনা ও তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা যায়, চলতি মে মাসের মধ্যভাগে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপ কর্তৃক মিয়ানমার থেকে ৯ এমএম পিস্তল, এম-৪ রাইফেল, জি-৩ রাইফেল, এলএমজি, মর্টার ও বিভিন্ন ধরনের গ্রেনেড এবং গোলাবারুদ সংগ্রহের পরিকল্পনা করে।
অন্যদিকে, মে মাসের শেষ সপ্তাহে ইউপিডিএফ (প্রসীত) সশস্ত্র গ্রুপ আনুমানিক ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভারতের মিজোরাম থেকে খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা করে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র আরও জানায়, একই সময়ের দিকে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত হয়ে দুইটি ক্লোজবোল্ট রাইফেল, একটি একে-৪৭, দুটি ব্ল্যাকবোল্ট এবং ৫০ রাউন্ড গোলাবারুদ ইউপিডিএফের (প্রসীত) সশস্ত্র কমান্ডার তরেন চাকমার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গ্রুপ কমান্ডার ধৈর্য্য চাকমার কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানা যায়।
এছাড়া, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইউপিডিএফ (প্রসীত) সশস্ত্র কমান্ডার তরেন চাকমা মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ঘাঁটি থেকে একটি বড় অস্ত্র চালান সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চালানটি ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন ত্রিদেশীয় সংযোগস্থল এলাকা দিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র সংগ্রহ ও সরবরাহ কার্যক্রমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক এ ধরনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।


