পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত একটি ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের পাশাপাশি ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বাকি ২১১ পরিবারকে পরবর্তী ধাপে ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য তিন জেলায় মোট ১২১টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভার অধীনে ১ হাজার ১৫২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে জরিপের ভিত্তিতে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডটিকে সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দারিদ্র্যের মাত্রা নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে জরিপ পরিচালনা করা হয়।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শামীম আরা রিনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাচিংপ্রু জেরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান এবং জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী।

অনুষ্ঠানে দীপেন দেওয়ান বলেন, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী জানান, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালিত জরিপে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের পাশাপাশি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়েছে। হিসাব নম্বর সংক্রান্ত ত্রুটি ও সরকারি দ্বৈত সুবিধার বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে বাকি ২১১ পরিবারও ভাতা পাবে।