বান্দরবানের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে ব্যবহৃত অধিকাংশ বেইলি সেতু বর্তমানে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আশির দশকে নির্মিত এসব সেতুর ক্ষমতা পাঁচ টনের বেশি ভার বহনের উপযুক্ত নয়। তবুও প্রতিদিনই ১০ থেকে ২০ টনের ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচল করছে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।
জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের সাত উপজেলায় মোট ১১৪টি বেইলি সেতু রয়েছে। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে থাকা ৬৬টি সেতুর মধ্যে ৫৪টিই এখন অতি ঝুঁকিপূর্ণ।
সংবাদমাধ্যম সময়ের আলো সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেনের বরাত দিয়ে জানান, সেতুগুলো নিয়মিত মেরামত করা হলেও ভারী যানবাহনের চলাচলের কারণে ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। তবে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২২টি বেইলি সেতু আরসিসি স্থায়ী সেতুতে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে। বাকি সেতুগুলোর জন্যও নতুন প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অনেক সেতুর লোহার পাটাতন উঠে গেছে, কোথাও একপাশ দেবে গেছে, আবার কোথাও গাছ দিয়ে জোড়াতালি দেওয়া হয়েছে। স্প্রিং পর্যন্ত খুলে পড়েছে এমন সেতুও রয়েছে। তবুও প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয় সিএনজি ও চাঁদের গাড়ির চালকরা জানান, ভারী ট্রাকের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। কয়েক মাস আগে রুমা-থানচি সড়কের একটি সেতু দেবে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

-পার্বত্য সময়