রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান নিখিল চাকমা জানিয়েছেন, পাহাড়ের ৬৪ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে বনের ওপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, "বন খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বন থেকে মানুষ খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে।"
এটি তিনি রাঙামাটির ডিসি কার্যালয়ে ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বলেন।
নিখিল চাকমা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে যদি বন না থাকে, তাহলে স্থানীয়রা খাদ্য ও নিউট্রিশন পাবে না। বন আয়ের একটি বড় উৎস এবং অনেক মানুষ এখানে ট্রেডিশনাল ওষুধের ওপর নির্ভরশীল”।
এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বনের অভাবে ঝিরি-ঝর্ণা থেকে পানি পাওয়াও অসম্ভব হয়ে যাবে। আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও বন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বন সংরক্ষণে সকলকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এসএম সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ। এতে বক্তব্য দেন রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর, কাপ্তাই পাল্প উড বাগান বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামান, রাঙামাটি ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা, জেলা স্কাউটের কমিশনার নুরুল আবছার। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. নিখিল চাকমা।
-পার্বত্য সময়


