অস্ট্রেলিয়া পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সম্প্রদায়ভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিশেষ করে উপজাতি জনগোষ্ঠীর জন্য জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা ও জীবিকার সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করছে দেশটি।
সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল-এর সফরকালে এসব প্রতিশ্রুতি আরও জোরালোভাবে ব্যক্ত করা হয়। ঢাকায় এক বিজ্ঞপ্তিতে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে চলমান সহায়তা কার্যক্রমের বাস্তব সুফল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন হাইকমিশনার রাইল।
সফরকালে তিনি স্থানীয় উপজাতি শিশুদের জন্য পরিচালিত বোর্ডিং ও ডে স্কুল মোনোঘর ঘুরে দেখেন, যেখানে প্রায় ১,১০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস থেকে পাওয়া অনুদানে স্থাপিত আইটি-অস্ট্রেলিয়া কেন্দ্র ইতোমধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
অস্ট্রেলিয়ার অর্থায়নে পরিচালিত ব্র্যাকের ‘স্টার’ প্রকল্প পার্বত্য এলাকার তরুণদের জন্য বাস্তবভিত্তিক কর্মদক্ষতা তৈরি করছে, যা তাদের টেকসই জীবিকার পথ প্রশস্ত করছে। এতে তরুণরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে হাতে-কলমে কাজ শিখে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
এছাড়া, অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ প্রাপ্ত ২৫০ জনেরও বেশি উপজাতি প্রাক্তন শিক্ষার্থী পার্বত্য অঞ্চলের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে চলেছেন। এই অর্জনকে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হেড অব মিশন ক্লিনটন পবকে জানান, অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রাপ্ত স্কলারদের প্রতি হাইকমিশনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি তাদের আহ্বান জানান- তারা যেন নিজ নিজ এলাকায় পরিবর্তনের দূত হিসেবে কাজ করেন এবং সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে উন্নয়নের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠেন।
-পার্বত্য সময়


