বান্দরবানের বর্তমান বাসস্ট্যান্ড থেকে হাফেজঘোনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ৫০০ ফুট দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণের তিন বছরও হয়নি। অথচ ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়ে ঝরনার মতো পানি পড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, টানেলটি এখন “মরণ ফাঁদে” পরিণত হয়েছে।
উন্নয়ন বোর্ডের ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টানেলটি উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর। কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এমনকি পাহাড় কেটে মাটি বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে। বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের নেতা রাজু বড়ুয়ার নামও এ অভিযোগের সঙ্গে এসেছে।
যানজট নিরসনের উদ্দেশ্যে টানেল নির্মিত হলেও স্থানীয়রা বলছেন, বরং যানজট দ্বিগুণ বেড়েছে। বর্তমানে এটি গাড়ি পার্কিং ছাড়া কোনো কাজে লাগছে না। এখন বর্ষায় ফাটল দিয়ে পানি পড়ছে, যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”
সংবাদমাধ্যম জনকণ্ঠের খবরে বলা হয়েছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইয়াসির আরাফাত দাবি করেন, টানেলের ছাদ থেকে পানি পড়ার কারণ হলো উপরের পাইপ লাইন চুরি হয়ে যাওয়া। একইভাবে বৈদ্যুতিক তারও চুরি হয়েছিল, পরে নতুনভাবে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, শিগগিরই সংস্কারের কাজ শেষ করে টানেলটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
স্থানীয়রা অবিলম্বে দুর্নীতির তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
-পার্বত্য সময়


